শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ঘরোয়া উপায়ে মূত্রনালির সংক্রমণ থেকে মুক্তি


মূত্রনালির সংক্রমণ বা ইউরিন ইনফেক্শন অত্যন্ত অস্বস্তিকর সমস্যা। আমাদের দেহ থেকে তরল বজ্ৰ বের হওয়ার জন্য যে সিস্টেম রয়েছে তাকেই মূত্রতন্ত্র বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট বলে। মূত্রতন্ত্রে যেকোনো অংশে জীবাণুর সংক্রমণ হলে তাকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) বলে। কিডনি, মূত্রনালি সহ একাধিক অংশে এই ধরণের সংক্রমণকে উরিনে ইনফেকশন বলা হয়। মূত্রনালিতে সংক্রামণের জন্য ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা ভাইরাস দায়ী হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়াই দায়ী। 

মূত্রনালির সংক্রামণের লক্ষণ 

প্রস্রাবের বেগ আসা সত্বেও ঠিকমতো প্রস্রাব না হওয়া বা খুবই সামান্য হওয়া, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া করা, প্রস্রাবের রং পরিবর্তন ও দুর্গন্ধ হওয়া, ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া, পেট ব্যথা, জ্বর, বমিবমি ভাব ও বমি হওয়া, অবসন্ন ও ক্লান্ত অনুভব করা। ছোটদের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়া, জ্বর, খেতে না চাওয়া ইত্যাদি হতে পারে।  

এই রোগে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই বেশি আক্রান্ত হয়। কারণ মেয়েদের মূত্রনালির পায়ুর খুব কাছাকাছি থাকে। ফলে মলদ্বার দিয়ে নির্গত ব্যাক্টেরিয়া সহজে মূত্রনালীতে যেতে পারে। এছাড়া মেয়েদের মূত্রনালি ছোট হওয়ায় ব্যাক্টেরিয়া সহজেই মূত্রথলি ও কিডনিতে পৌঁছে সক্রামণ ঘটাতে পারে। প্রস্রাবে পরীক্ষার মাধ্যমে মূত্রনালির সংক্রমণ বা ইউটিআই নির্ণয় করা যায়। এই সংক্রমণ প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়। তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে মূত্রনালির সংক্রমণ থেকে পুরোপুরি মুক্তি মেলে। যেমন, 

১) আপেল সিডার ভিনেগার ইউরিনারি নালীর ইনফেকশন রোধে সক্ষম। এই ভিনেগার প্রাকৃতিক এন্টিব্যায়োটিক হিসাবে কাজ করে। এক গ্লাস জলের সঙ্গে ২ চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে খেয়ে নিন। উপকার পাবেন। 

২) লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। 

৩) বেকিং সোডার অ্যাসিড উপাদান প্রস্রাবের সমস্যা রোধ করে এবং ব্যথা দূর করে। এই সমস্যা এড়াতে এক চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে এক গ্লাস জল মিশিয়ে প্রতিদিন ১/২ বার খান। 

৪) আনারসের থাকা ব্রোমেলাইন মূত্রনালির সংক্রমণের জ্বালাপোড়া রোধ করে। তবে শুধু আনারস না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিব্যায়োটিকও খেলে ভালো হবে।  

৫) অবশ্যই প্রচুর জল খান। শসাও খেতে পারেন।

৬) এক মুঠো সেলেরি বীজ চিবিয়ে রস খেতে পারেন। অথবা বীজ দিয়ে ঢেকে রাখুন, ৮ মিনিট পর মিশ্রণটি ছেঁকে খেয়ে নিন। 

৭) হট ওয়াটার ব্যাগ নিয়ে তলপেটের উপর রাখতে পারেন। এতে দ্রুত প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ও ব্যথা দূর হবে।  

৮) আরামদায়ক পোশাক পড়ুন। 

জল খেলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না


জীবনের সবকিছুর যেমন ব্যালেন্স দরকার হয়। তেমনি জলপানেরও সঠিক ব্যালেন্স রাখা জরুরি। গবেষকরা বলেছেন প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জল খেলেই সর্বনাশ। গবেষকরা বলেছেন, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জল খেলে বিগড়ে যেতে পারে শরীর। 'বেশি করে জল খাস', কিংবা 'জল খেয়েছিস তো'? জিয়ো পরামর্শ আমরা সবাই রোজ শুনতে অভ্যস্ত। বাচ্ছাদের পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খায়ানো নিয়ে মায়েদের নাজেহাল হওয়ার দশার ছবিও নতুন কিছু নয়। কিন্তু এখানেই লুকিয়ে আছে অজানা বিপদ। জীবনের সব কিছুর যেমন ব্যালেন্স দরকার হয়, তেমনি জলপানের সঠিক ব্যালেন্স রাখা জরুরি। গবেষকরা বলছেন, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মাত্রায় জল খেলে সর্বনাশ। শরীরের জলের ঘাটতি হলে যেমন ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয় আমাদের, তেমনি জলের অধিক্য হলে ওভার-হাইড্রেশন হতে পারে, যা থেকে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে প্রধান, শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যাওয়া।

হাইপোনেট্রেমিয়া, অর্থাৎ শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা কমে যাওয়া, মগজ স্ফীতির জন্য দায়ী। এইধরণের সমস্যায় সাধারণত বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। মাথায় আঘাত, পচন, হৃদরোগজনিত সমস্যা থাকলে সাধারণত হাইপোনেট্রেমিয়ার সম্ভবনা থাকে। মস্তিষ্কের হাইড্রেশন সেনসিং মেকানিজমে প্রভাব ফেলে এটা। ডিহাইড্রেশন হলে তা যেভাবে মস্তিষ্কের হাইড্রেশন সেনসিং নিউরন চিহ্নিত করতে পারে, ওভারহাইড্রেশনের ক্ষেত্রে এই নিউরন তা পারে না। যার জোরে সমস্যা হয়, এমনটাই মনে করছেন গবেষকরা। 

গবেষকদের সাবধানবাণীর পর এবার থেকে সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পৰ্যন্ত সারাদিনে ক'গ্লাস জল খাচ্ছেন, তার হিসেবনিকেশ রাখা আপনার ডেইলি রুটিনের মধ্যে রাখতে হচ্ছেই। ঘুরতে ফিরতে কি আপনার ঘন ঘন খাওয়ার বদ অভ্যেস রয়েছে ? কিছু খান বা না খান, ঢকঢক করে কি জল খেয়ে ফেলেন? তাহলে কিন্তু বিপদ। 

সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০

নিজের চিমনি নিজেই পরিষ্কার করুন


সময় লাগবে মাত্র কুড়ি মিনিট।তাহলে রেডি তো ?
বড় রান্নাঘর এখন অতীত।ছোট্ট দু-কামরার ফ্ল্যাটে কোনোরকম স্থান সংকুলন করে রান্নাঘর তৈরী করে নেওয়া। সেই অর্থে আলো-বাতাশ ঢোকে না বিশেষ। তাই তেল মসলা ধোঁয়া বা কালি থেকে রক্ষা করার জন্য রান্নাঘরে চিমনি মাস্ট। তবে চিমনি রাখলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর তাকে পরিষ্কার করতে হবে কিন্তু  কোম্পানির লোককে খবর দিলে এসে পরিষ্কার করে দেবে বটে। নিজে হাতেও পরিষ্কার করে নিতে পারেন। সামান্য কিছু সহজ পদ্ধতি মেনে চললেই হয়ে যাবে মাত্র কুড়ি মিনিটে।

প্রথমত চিমনিতে থাকা নেট খুলে ফেলুন। ব্রাশ দিয়ে ভালো করে ঝেড়ে ফেলুন, এতেই নেটের ওপর লেগে থাকা ঝুল, ময়লা বেরিয়ে যাবে।বাকি থাকবে চিমনির গায়ে লেগে থাকা তেলচিটে চটচটে ভাবটা।এবার একটা স্টিল বা অ্যালুমিনিয়াম এর বড়ো পাত্র নিন, তার মধ্যে গরম জল দিন। বেকিং সোডা মিশিয়ে দেন। চিমনির নেটটি তার মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন কিছুক্ষন।এবার গরম জলে ডোবানো নেটের পাত্রটি গ্যাসের ওপরে বসান, ভালোকরে ফোটাতে থাকুন। কিছুক্ষন পরে নামিয়ে ভালো করে ব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন, তাতেই দেখবেন চিমনি একেবারে নতুনের মতো ঝকঝক করছে। মাত্র কুড়ি মিনিটে চিমনি হয়ে গেলো একেবারে সাফ।

মোরিঙ্গা খান ভাইরাস তাড়ান


বলুন তো মোরিঙ্গা কি ? যার জুস পান করেন দক্ষিণ ভারতের বহু স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ। অনলাইনে অনেকেই অর্ডার দেন কয়েক হাজার টাকা দামের মোরিঙ্গা পাউডার। এই ম্যাজিক পাউডার নাকি সব রোগব্যাধি দূর করে মানুষকে সুস্থ রাখে বহুদিন। আসলে মোরিঙ্গা পাউডার আমাদের প্রতিবেশী 'মোরিঙ্গা ওলাইফেরা' বা সজনে গাছ থেকে তৈরী হয়। ইউরোপ-আমেরিকার গবেষক বিজ্ঞানীদের নজর পড়ার পরেই বিশ্বজুড়ে এই গাছের কদর বেড়েছে ভীষণ। তবে দামি পাউডার না খেয়ে যদি আপনি বাঙালির ঘরোয়া রান্না ডাটা-চচ্চুরি, ডাঁটা পোস্তো বা সজনে ডাঁটা দিয়ে শুক্তো খান, একই উপকার পাবেন। সজনে  পাতা ও ফুলও সমান উপকারী। সারা বছর সব রান্নায় মিশিয়ে নিতে পারেন কয়েকটা সজনে পাতা। 

সজনে ডাঁটা, পাতা, ফুল সবেতেই রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও পটাসিয়াম। তবে এতেই শেষ নয়, রয়েছে অনেক বেশি পরিমানে বিভিন্ন আন্টি অক্সিডেন্টও, তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আর জুড়ি নেই।রক্তের চাপ কমাতে ও সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই সবজি।তাই হাইপার টেনশন বা ডায়াবেটিস থাকলে ডায়েটে রাখুন সজনে। হার্টের অসুখ ঠেকাতেও এটি কার্যকরী। অন্যদিকে হজমর সমস্যা সমাধানে ও পেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে সজনে পাতা ও ফুলে থাকা 'আইসোথিয়োকাইনেটস' নামের নামের রাসায়নিকটি।

গ্রাম-বাংলায় একটি প্রাচীন ধারণা ছিল, বসন্তকালে সপ্তাহে দু-তিন দিন সজনে ফুলের বিভিন্ন পদ খেলে চিকেনপক্স বা হামের মতো অসুখকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়।কথাটা অযৌক্তিক নয়। সজনের বিভিন্ন এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেমকে সুস্থ রাখে। বিভিন্ন ভাইরাস ও অন্যান্য রোগ জীবাণুদের দূর করতে সাহায্য করে। তাই আসুন বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাইরাসের ভাইরাল হওয়া আটকাতে আমরা প্রতিদিনের ডায়েটে রাখি এই সুপার ফুড।

রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০

বর্ষায় চুলকানি ? ক্ষার থেকে দূরে থাকুন

বর্ষা পড়তে না পড়তেই শরীরে নানাধরণের সমস্যা শুরু। সবচেয়ে বেশি সমস্যা এলার্জি আর চুলকানি।ত্বকের সংক্রমণ তো ফি বছরের ব্যাপার।তবে সাবধানগুলো কিন্তু একই। আসুন জেনে নেওয়া যাক।
  • বর্ষার নতুন জলে ত্বকে সংক্রামণের সমস্যা থাকলে জল থেকে একটু দূরে থাকতেই হবে। মানে সরাসরি জলে হাত কম লাগাতে দেবেন। কি করে ?বাসন মাজা, কাপড় ধোয়া, ইত্যাদি ক্ষেত্রে বেবহার করুন সার্জিক্যাল গ্লাভস। কাজ মিতে গেলে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। 
  • একটু উষ্ণ জলে বাসন মাজুন, কাপড় ইত্যাদি ধুলে একটু সমস্যা কম হয়। 
  • ক্ষারযুক্ত সাবান একেবারেই বেবহার করবেন না। লিকুইড সাবান বরং ভালো।
  • হাত ভিজে রাখবেন না। সবসময় শুকনো গামছা বা কাপড় ধুয়ে মুছে নেবেন। আঙুলের কোনা পরিষ্কার করে মুছবেন। 
  • বেবি অয়েল কিনে রাখতে পারেন। ভালো করে হাথে মেখে তবে সাবানে হাত দিন। ঝামেলা কম হবে। 
  • আন্টিসেপ্টিক ক্রিম রাখুন ঘরে।বেশি সাবান বা জল ঘাটা হয়ে গেলে মেখে নেবেন।
  • স্নানের জল শোধন করে নিন। মেডিকেটেড কোনো লিকুইড পরিমাণমতো দিয়ে তবে স্নান করুন। 
  • হাতে বা ত্বকে লালভাব অথবা চুলকানি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন তবেই কোনো ওষুধ খাবেন।  

বর্ষায় এলার্জি ? হলুদ একটু কম খান



হলুদ সবচেয়ে বোরো এন্টিবায়োটিক সকলেই জানে।বর্তমানে বহু রোগের চিকিৎসার প্যথ হিসাবে চিকিৎসকরা হলুদ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে হলুদের ক্ষতিকারক দিকগুলি সম্পর্কে জানেন কি ? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

  • হলুদ রক্ত জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয়। তাই যাদের রক্ত তিঞ্জনে সমস্যায় রয়েছে (সহজে রক্ত জমাট বাঁধতে চায় না), তাদের হলুদ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।
  • হলুদ অনেক সময় ক্যালসিয়াম অক্সালেটর হজমে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।এই হজম না হওয়ার ক্যালসিয়াম অক্সালেটে জমে পরবর্তীকালে কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করে।
  • দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পরিমানে হলুদ খেলে ডায়রিয়া, হজমের গোলমাল, গা বমি বমি ভাবের মতো সমস্যায় দেখা দিতে পারে।
  • সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, হলুদ থেকে এলার্জি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে এই বর্ষাকালে হলুদ খাওয়া একেবারে কমিয়ে দিতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০

সুস্থ থাকার ৫ উপায়



আমরা যা কিছু খাই তা যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে, তেমনি পরবর্তীতে ওবিসিটি, হৃদরোগ, ডায়বেটিস ও বিভিন্নরকম ক্যানসারের সমস্যা তৈরী করে। স্বাস্থকর ডায়েটের সঠিক উপাদান অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। যেমন বয়স, শারীরিকভাবে কতটা সক্রিয়, আমরা যেখানে থাকি সেখানে কিরকম খাবারদাবার পাওয়া যায় ইত্যাদি। যাইহোক, সবার জন্যই কিছু সাধারণ খাবারের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে যা আমাদের সুস্থ দীর্ঘায়ু থাকতে সাহায্য করবে।

বিভিন্ন ধরণের খাবার খান 

আমাদের দেহে অদ্ভুত রকমভাবে জটিল। কোনো একটি মাত্রা খাবারে (বাচ্চাদের জন্য ব্রেস্ট মিল্ক ছাড়া ) পর্যাপ্ত পুষ্টি থাকে না। অতয়েব নিজেদের সুস্থ রাখতে চাইলে ডায়েটে তাজা ও পুষ্টিকর খাবার রাখতে হবে। নিশ্চিত সুষম খাবার পেতে যা করবেন -

  • আমাদের প্রতিদিনের ডায়েটে মসুর ডাল ও শুঁটি জাতীয় খাবারের সঙ্গে প্রধান খাবারের মিশ্রণ যেমন গম, ভুট্টা, চাল ও আলুর মিশ্রণ রাখুন। পাশাপাশি প্রচুর তাজা ফল ও সবজি, মাছ, মাংস, ডিম্ ও দুধ রাখবেন।
  • ডায়েটে গোটা খাবার রাখুন। যেমন অপক্রিয়াজাত ভুট্টা, বাজরা, ওটস, গম ও ব্রাউন রাইস। এগুলোতে যেমন প্রচুর ফাইবার থাকে তেমনি অনেক্ষন পেটও ভর্তি থাকে।
  • স্ন্যাকসের জন্য উচ্চ পরিমান শর্করা, ফ্যাট বা লবনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে কাঁচা সবজি, লবন ছাড়া বাদাম এবং তাজা ফল রাখুন।

খাবারে লবণের পরিমান কমান

খাবারে লবণের পরিমান বেশি মানেই রক্তচাপ বাড়ার আশঙ্কা থাকে, যা থেকে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সারা পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই লবণের প্রতি আসক্তি। এক্ষেত্রে বিশ্ব সাস্থ সংস্থা (হু)- পরামর্শ হলো, দিনে গড়ে ৫ গ্রাম লবন (এক চামচের সমান) খাওয়া উচিত। খাবারে লবণের পরিমান কমাতে যা করবেন।

  • রান্নায় অল্প পরিমানে লবন ব্যবহার করুন এবং লবনাক্ত সস ও মশলা এড়িয়ে চলুন।
  • বেশি লবণযুক্ত স্ন্যাকস না খাওয়াই ভালো, প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে তাজা, স্বাস্থ্যুক্ত স্ন্যাকস খান।
  • টিনজাত কিংবা শুকনো সবজি, বাদাম ও ফলের ক্ষেত্রে লবন ও শর্করা ছাড়া বাছুন।
  • টেবিল থেকে লবন ও মসলাদানি সরিয়ে ফেলুন এবং লবন খাওয়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। আমাদের স্বাধকোরক খুব তাড়াতাড়ি মানিয়ে নেয়। দেখবেন, কম লবণই খেতে ভালো লাগে।
  • কোনো খাবার কেনার সময় লেবেল চেক করুন এবং কম সোডিয়ামযুক্ত পণ্য বাছুন।

ফ্যাট ও তেলযুক্ত খাবার কম খান

আমাদের খাবারে অবশ্যই ফ্যাটযুক্ত খাবারের প্রয়োজন। কিন্তু তা বেশি খেলে ওবিসিটি, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। শিল্প-উৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক। ডায়েটে এই ধরণের ফ্যাট থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। খাবারে ফাতের পরিমান কমাতে যা করতে হবে -  

  • মাখন, চর্বি, ঘিয়ের পরিবর্তে সয়াবিন, ক্যানোলা, কর্ণফ্লাওয়ারের মতো স্বাস্থকর তেল ব্যবহার করুন।
  • পাঁঠার মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস, কম ফ্যাটযুক্ত মাছ খাওয়া অভ্যাস করুন।
  • বাজার পরিবর্তে খাবার সেদ্ধ করার চেষ্টা করুন।
  • প্রক্রিয়াজাত ভাজা খাবারে শিল্প-উত্পাদিত ট্রান্স ফ্যাট থাকে। এছাড়া প্রি-প্যাকেজেড স্ন্যাকস, স্যাকা ও ভাজা খাবারে মার্জারিন ও ঘি থাকে। অতএব এই জাতীয় খাবার এরিয়ে চলুন।

কম চিনি খান 

অতিরিক্ত চিনি শুধু দাঁতের জন্যই খারাপ নয়, ওবিসিটির ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। ফলে দীর্ঘস্হায়ী শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। প্রক্রিয়াজাত খাবার ও পানীয়তে লবণের পাশাপাশি লুকিয়ে থাকা শর্করার মাত্রার দিকে ধান দেওয়া জরুরি। উধাহরণসরূপে বলা যায়, একটি সদর ক্যানে ১০ চা চামচ প্রযন্ত চিনি থাকতে পারে। কম চিনি খেতে যা করতে হবে।

  • মিষ্টি ও শর্করারজাতীয় পানীয় যেমন, ফ্রুট জুস, ফিজি ড্রিঙ্কস, ফ্লেভার ওয়াটার, এনার্জি এন্ড স্পোর্টস ড্রিঙ্কস, রেডি-টু-ড্রিংক টি, কফি, ফ্লেভারড মিল্ক ড্রিঙ্কস যতটা সম্ভব কম খান।
  • বাচ্চাদের মিষ্টিজাতীয় খাবার দেওয়া হেকে বিরত থাকুন। ২ বছরের নিচে বাচ্চাদের পরিপূরক খাবারে ও চিনি যুক্ত করা উচিত নয় এবং ওই বয়েসের পরেও ওই দুটি উপাদান ব্যবহার যেন সীমিত থাকে।

মদ্যপান এড়িয়ে চলুন

মদ্যপান কখনোই স্বাস্থ্যকর ডায়েট নয়।কিন্তু অনেক অনুষ্ঠানেই মদ্যপানের ব্যবস্থা থাকে।প্রায়ই খুব পরিমান মদ খেলে আঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে। পাশাপাশি লিভারের ক্ষতি, মানসিক অসুস্থতা, ক্যান্সার, হার্টের অসুখ হতে পারে। হু'র মতে, মদ্যপানে কোনো সুরক্ষার স্তর নেই, এমনকি কম মাত্রায় মদ্যপান করলেও শারীরিক ঝুঁকি থেকেই যায়। যদি আপনি গর্ভবতী হন, ব্রেস্টফিডিং করান, গাড়ি চালান বা এমন কোনও কাজ যাতে ঝুঁকি রয়েছে, যদি এমন কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে যা মদ্যপানে আরও খারাপ হতে পারে। যদি আপনার বা পরিচিত কারও এই সব সমস্যা বা অন্যান্য সাইকোআঁক্টিভ সমস্যা থাকে তাহলে সাস্থকর্মী বা বিশেষজ্ঞ এর থেকে সাহায্য নিতে ভয় পাবেন না। এছাড়া হু সেলফ হেল্প গাইড তৈরী করেছে যা নেশায় আসক্ত মানুষকে ফিরিয়ে আনতে বা এর ব্যবহার রুখতে সহায়তা করবে।


বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০

শিশুদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে কি কি করবেন


জীবনযাপনের চলচিত্রটা হটাৎ কেমন যেন বদলে গিয়েছে। ফাঁকফোকর দিয়ে ঢুকে পড়েছে একরাশ টেনশন, আতঙ্ক এমনকি মৃত্যু ভয় পর্যন্ত।অজানা মরণভয় নিয়ে প্রতিদিনের মরণভয়। আর ভালো লাগছে না। আমাদের বোর্ডের এই অবস্থা, শিশুদের কথা একবার ভাবুন তো ? নতুন ক্লাসে উঠেছে অথচ সচলে যাওয়া নেই। নেই একসঙ্গে টিফিন ভাগ করে খাওয়ার মজা, নতুন বইয়ের গন্ধ, নতুন স্কুল, ইউনিফর্ম কিছুই নেই। এই পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে ওদেরই বেশি কষ্ট হচ্ছে। কোভিদ-১৯, লকডাউন-শব্ধগুলি সব শিশুদের মুখস্থ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ওদের জানা নেই এসবের মানে ও গুরুত্ব। তাই শিশুমনে অজানা ভয় ও দ্বন্ধ জন্ম নিয়েছে। এর জন্য দায়ী কিন্তু আমরা, অভিভাবকরা। যেহেতু শিশুরা আমাদের অনুসরণ করে, আমাদের আচার-আচরণ, কথাবার্তা খেয়াল করে, তাই আমরা যদি অজানা ভবিষৎ নিয়ে শংকিত হতে থাকি তা শিশুমনের উপর অসম্ভব চাপ তৈরী করে। এই কারণে আমাদের খুব সচেতন থাকতে হবে, বিশেষ করে ২-৫ বছর বয়সী শিশুদের অভিভাবকদের।মনে রাখতে হবে একজোড়া চোখ সবসময় আমাদের অনুসরণ করছে, তাই আচার-ব্যবহার-কথাবার্তার সময় আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। এমন কিছু ওদের সামনে আমাদের আলোচনা ভুল বার্তা পৌঁছায়। সবসময় ওদের মানসিক অবস্থার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমরা জানি ২-৫ বছর সময়টা শিশুদের জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনোবিদদের মতে. এই সময়ে শিশুর ব্যক্তিত্বের বিকাশ সম্পূর্ণ হয়। তাই ওদের সামনে সবসময় যেন সঠিক উধাহরন থাকে। এই সময় শারীরিক মানসিক বিকাশের সঙ্গে সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওদের সামাজিককরণ ও সোশ্যালাইজেশন।বাড়ির পরিবেশ ছাড়া স্কুল ও খেলার মাঠ এই সামাজিকীকরণের পক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সেখানে বিভিন্ন ধরণের শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা ও ভাবের আদানপ্রদানের মাধ্যমে শুরু হয় তাদের সামাজিকীকরণের প্রথম পাঠ। সে সুযোক আজ হটাৎ করে চার দেওয়ালের মাঝে আবদ্ধ।তাই ওদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। ওদের ভালো লাগা, খারাপ লাগাগুলো যেন আমাদের নজর এড়িয়ে না যায়। মানসিক চাপ, ভয়, টেনশন প্রকাশ করার ক্ষমতা ওদের তৈরী হয়নি। তাই োর যাতে প্রতিদিন খুশিতে-আনন্দে কাটাতে পারে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।

কি কি করবেন :-


  • মা-বাবা সবাই একসঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটান।
  • কিছু গেম খেলার পরিকল্পনা করুন এবং একসঙ্গে খেলুন।
  • ঘরের কিছু কাজে ওদের সামিল করুন। যেমন, ছোটোখাটো চেয়ার-টেবিল পরিষ্কার করা, জিনিস গুছিয়ে রাখা ইত্যাদি।
  • ছবি আঁকা, রং-করা, ফেলে দেওয়া জিনিস থেকে কিছু বানানো ইত্যাদি কাজে ওদের উৎসাহিত করুন এবং প্রশংসা করুন।
  • একসঙ্গে শুয়ে গল্প বলুন কিংবা গণ্য পরে শোনান। বিভিন্ন রূপকথার গল্প, নীতিগল্প, মহাপুরুষের জীবনী পরে শোনান।
  • ওদের পছন্দমতো খাবার যেমন, কেক, পুডিং, চাউমিন ইত্যাদি একসঙ্গে তৈরী করুন।
  • পুরানো দিনের অ্যালবাম একঙ্গে ছবি দেখুন।
  • একসঙ্গে ফুল গাছ লাগানো, পরিচর্যা করুন। রোজ ওদের দিয়ে গাছে জল দেওয়ান।
  • সকাল-সন্ধ্যা সময় বের করে একসঙ্গে প্রার্থনা ও কোণও মন্ত্র উচ্চারণ করুন। এছাড়া ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস প্র্যাকটিস, ডিপ ব্রিডিং যদি করতে পারেন। এতে মনের ক্লান্তি দূর হবে। মনে রাখবেন, এগুলোই মেডিটেশনের প্রথম পাঠ।
  • ছাদে বা খোলা জায়গায় খেলার সুযোগ থাকলে সাইকেল চালানো, দৌড়াদৌড়ি, কানামাছি খেলা ইত্যাদি খেলা যেতে পারে।
  • পড়াশোনার বিষয় গুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য নানারকম গেম প্ল্যান করুন। কখনো কখনো নিজে পড়ুয়া হয়ে ওদের পড়াতে বলুন।
  • সবাই কসঙ্গে খাওয়া, ঘুমানো ইত্যাদি ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলুন এবং আপনার শিশুকেও সেখান।
  • আমরা যেমন মাঝে মাঝে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন এর সঙ্গে কথা বলি, শিশুদেরও ওদের বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ফোন কথা বলার বা ভিডিওকলের মাধ্যমে বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিতে হবে।
  • শিশুর বয়স এবং মানসিক স্তর অনুযায়ী করোনা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য দিতে হবে।
  • বলা বাহুল্য ওদের নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক পরা, স্বাস্থবিধি মেনে চলার পথ দিতে হবে এবং সেইসব নিয়মিত মেনে চলা অভ্যাস করতে হবে।

কি কি করবেন না :-


  • মাঝে মাঝে টিভি খুলে করণের আপডেট দেখাবেন না, বিশেষ করে শিশুর সামনে।
  • খবরের কাগজে পড়ে কোনো নেতিবাচক আলোচনা শিশুদের সামনে করবেন না।
  • অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমরা সবাই চিন্তিত। কিন্তু খেয়াল রাখবেন, আর ঢেউ যেন ওদের মনে না ছোঁয়। অতএব, এই সংক্রন্ত কোনও আলোচনা ওদের সামনে করা চলবে না।
  • ঘরবন্দি মুহূর্তে অনেক সময় আপনজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, মন কষাকষি হওয়া খুব স্বভাবিক ,কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, আমরা যেন শিশুদের সামনে সংযত থাকি।
  • বেশিক্ষন টিভি, মোবাইল ইত্যাদি দেখার সুযোগ দেবেন না।



শৈশব হারাতে পারে শ্রমে




রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০

মাস্ক আগে না ময়শ্চারাইজার ?


অন্তত আধঘন্টা আগে ময়শ্চারাইজার যুক্ত ক্রিম লাগান। তাহলে মুখের ত্বকটা বাঁচবে। এখন যা সময়, মাস্ক তো পড়তেই হবে। মাস্ক ছাড়া বাইরে বেরোনো যাবে না এক-পা-ও। তবে মাস্ক মুখের এক বোরো অংশই ঢেকে রাখে। বেশিক্ষন এটা পরে থাকলে তার জেরে নাক ও গালে তৈরী হয় চুলকানি, জ্বালা ভাব। আর যার প্রভাবে ঘটতে পারে ধীর্ঘস্থায়ী ত্বকের ক্ষতি।  এমনি তথ্য উঠে এসেছে হাডার্সফেল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের গবেষণায়।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

SANTANER PUSTI BARBE NASHPATI KHAWALE



  • Nashpatite (pear) prachur antioxidant ache. Tai nashpati (pear) khawale bachhar rog pratirodhe khamota barbe. Roge bhugbeo kom.
  • Thikmoto pet pariskar na hole bachha khete chay na. Nashpati (pear) khawale pet pariskar to hobei. Songe bachhar khawar ruchio firbe, khide barbe.
  • Je sob sishu sobe mayer dudh bondho koreche tader sarire vitaminer poriman barate roj alpo kore Nashpatir (pear) rosh khawate paren.
  • Tonsils ar jonno bachha sara-bachar vugche? somadhan royeche Nashpatite (pear). Nashpati (pear) vocal cord porishkar rakhe. Abar tonsils somoshao kombe.
  • Vitamin- A, B, E, C, Calcium, Iron, Sodium royeche nashpatite (Pear). Tai roj akta Nashpati (pear) khawate parle apnar bachhari pusti barbe.

শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

SANTANER HAR MAJBUT HOBE



  • Nana karone bachha pray petebethay bhoge. Niyomito paka pepe (Papaya) ba pepe khawale osudh charai petebetha kombe.
  • Peper (Papaya) kosh ba dudh lal batasha diye khali pete khawale bachhar liver bhalo thkbe.
  • Prachur poriman vitamin-A thakay pepe (Papaya) bachhar chokher pokheo vishon upokari.
  • Papete (Papaya) calcium ra potassium ar poriman prachur. Tai har (Bone), dat (Tooth) majbut korte bachhake aboshoi khawan pepe.
  • Bachha apustite vugche? folic acid ar vitamin-B complex somridho pepe khawan. Sarire vitaminer ghati mitbe. 

শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৬

SANTANER SOMOSHA KOMAY BEDANA



  • Bristite vije bachha prachondo jore kabu? ak glass bedanar rosh (Pomegranate) khawalei jor kombe. Mukher ruchio firbe.
  • Thikmato dat (Tooth) na majar janno bachha nischoi dater roge voge. Akmatro bedana (Pomegranate) pare ai somosha metate. Niyomito khawale upokar milbei.
  • Roktalpotar (Anemia) janno anek bachhai tara-tari klanto hoye pore. Osudher bodle niyomito bedana (Pomegranate) khawan. Ar modhe thaka iron Hemoglobiner poriman barbe. Klantio komiye debe.
  • Krimir janno bachha jerbar? Roj bedana (Pomegranate) khawale krimi kombe sathe bachhar ojon barbe.
  • Bachhar pet (Stomach) bhalo rakhte niyomito bedana (Pomegranate) khawan.

বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

MOTA KOM KORTE PRACHUR JOL KHAN



Baire beriye garom lagle ba klanti bodh hole amra prai cold-drinks khai. Amra sokolei jani, cold-drinkse chin ar soda meshano jol chara ar kichui thake na. Kintu amra jeneo na-janar van kori. Athocho cold-drinks khawar artho hoche sarire barti ojoner poth sugom kore dewa. Sudhu cold-drinks noy, chini ba soda meshano ananno panio sarirke bedhop kore tole. Ojon bridhir songe-songe bere jay heart o diabetesr somosha. Kintu a-dhoroner panio borjon kore ar bodle jodi sudhu jol khawa jay, tahole jemon klanti-abosadh dur hobe pasha-pashi sarirer med jhore jabe anekansho. Somprati Americar blacks burg Virginia Tech Universityr aki somikhay ai tathoo uthe aseche. Amra joto dharoner panio khai, sobetei chinir odhikho royeche. Paniogulio modhe akti bad diye tar poriborte jodi jol khawa jay, taholei poriborton lakhho kora jabe.

Jol khele sorirer ananno prakriya jemon sotej thakbe, temni calories kome geye ojon harsh pete badho. Jara annanno panio komie jol khete suru korechen, tader sorire ১৭ theke ১১ sotangsho prajonto calories komeche.

Gobeshonay dekha giyeche, sudhu mattro chini o soda meshano panio noy, mouton, pork abong prakriya-jat mangsho, mishti, amonki garur dudh jara niyomito khan, tadero ojon barar dher sombhobona royeche. Ai khabargulio niyantroner modhe ante hobe. Ajkal bajare low calorie dudh, panio, coffee ba cha apratullo noy. Agulor prati jhukle ar fire takate hobe na. Atiriktto mangsho na kheye folmul, sakh-sobji, mach prai-diner khabarer talikay antrovuktto korte hobe. Tobe jol khabar kotha vule gele hobe na.

Aibhabe khabarer prati socheton hole ar osudh kheye med komanor kotha vabte hobe na, Tachara roga hobar lokhhe na kheye ba kom kheye thakar jontronao dur hobe achire.

মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৬

CHA NA COFFEE KONTA BESHI SASTHOKOR



Sokale ghum theke othar por cha (Tea) ba coffee khele alosho kete jay. Kintu konta besh sasthokor, seta ki janen? cha o coffee dutor sadh alada. Khadwoguno vinno. Tobe coffee te caffeine mattra beshi thakar dorun ata klanti ba aloshow katate beshi upokari. Amonki, besh koyekti manoshik sashtho porikhay dekha geche, jara niyomito coffee khan, tara abosadhe vogen na. Annodike cha jehetu coffeer tulonay thandda, aro nana dhoroner upokari royeche.

Bivinno porikhay dekha-geche jara coffee khan na, kintu dine besh koyekbar cha khan, tader bebohar tulonamulok bhabe santo. Tara samajik jib hishabe annoder songe bhalo bebohar kortei sachonddo bodh kore. Tachara cha (Tea) te coffeer tulonay kom matray caffeine thakar dorun, cha (Tea) khele ghum bhalo hoy.

Tobe coffe o cha (Tea) dutotei antioxidant mattra soman, Tachara duto panioi diabetes o cancer ar birudhe somo-mattray kaj kore. Amonki doctor der katha anujai coffee o cha (Tea) duto khelei roktte cholesteroler mattra kome. Arthat dekha jachhe, coffe o cha (Tea) dutoi sashter jonno bhalo. Tobe aboshoi kheyal rakhte hobe, dutor konotai jeno dine ২-৩ barer beshi na khawa hoy. Pasha-pashi coffee ba cha (Tea) dutotei kom poriman chini (Sugar) dite hobe. sei-songe low fat dudh (Milk) bebohar korai bhalo.

Awareness for street cows





সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০১৬

Helping Beggar





Save Environments





HOW TO FIND INDIAN LPG CYLINDER EXPIRY DATE


Do you know that there is an expire date (Physical life) for Indian LPG Cylinders?

Expiry cylinders are not safe for use and many cause accident. In this regard please be cautious at the time of accepting any Indian LPG cylinder from the vendor. Hear is how we can check the expiry of LPG cylinders? on one of three side stems of the cylinder, the expiry date is coded alpha numerically as flows A or B or C or D and some tow digit number following this.


'A' for March (First qtr)
'B' for June (Second qtr)
'C' for September (Third qtr)
'D' for December (Fourth qtr)

'B' stands for the second quarter i.e April to June and '13' stands for the present year 2013. B-13 Indicates the expire life of cylinder and not the Gas filled it. This Indian LPG cylinder should not be used and return to the Gas dealer. Expire cylinder is not safe for use and may cause accidents.





বিরোধিতা মানে শুধু অন্ধ বিরোধিতা নয়

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন, গ্যাস আর দাম যথেষ্ট উদ্বেগ বাড়িয়েছে যার প্রভাব দেশের জনগণের সঙ...